এনবিআরের দাবি পঁচানব্বই থেকে ৬৫ শতাংশ এখন দেশেই উৎপাদন হয়

ছবি: বণিক বার্তা/ফাইল

একসময় মোটরসাইকেলের মতো যানবাহন ও ইলেকট্রনিক পণ্যের ক্ষেত্রে শতভাগ আমদানিনির্ভর ছিল বাংলাদেশ। দেশে এ ধরনের পণ্যের বাজার সম্প্রসারণের পথ তৈরি করে ভোক্তা শ্রেণী হিসেবে মধ্যবিত্তের উত্থান। বাংলাদেশে বিনিয়োগ ও উৎপাদন শুরুর মাধ্যমে ইলেকট্রনিকস ও মোটরসাইকেলের বাজার সম্প্রসারণে উৎসাহী হয়ে ওঠে দেশী-বিদেশী বিভিন্ন কোম্পানি। বিষয়টিকে আরো ত্বরান্বিত করে তোলে সরকারের নীতিসহায়তা ও প্রণোদনা। জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) এক দাবি অনুযায়ী, সরকারের নীতিসহায়তা ও অনুকূল শুল্ক কাঠামোকে কাজে লাগিয়ে স্থানীয়ভাবে উৎপাদনের মাধ্যমেই বাংলাদেশের বাজারে মোটরসাইকেল, ফ্রিজ, এসি ও মোবাইল ফোনের মতো ইলেকট্রনিক পণ্যের বেশির ভাগ সরবরাহ করা যাচ্ছে। 


রাজধানীর লেকশোর হোটেলে চলতি মাসে সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ (সিপিডি) আয়োজিত এক সংলাপ অনুষ্ঠানে এনবিআরের পক্ষ থেকে দেয়া এক উপস্থাপনায় দাবি করা হয়, মোটরসাইকেল, রেফ্রিজারেটর বা ফ্রিজার, এয়ারকন্ডিশনার ও মোবাইল ফোনের মতো উৎপাদনমুখী শিল্পে নীতিগত ধারাবাহিক সহায়তা নিশ্চিত করার ফলে এসব পণ্যের বাজার এখন দেশীয় উৎপাদনকারীদের দখলে। স্থানীয় পর্যায়ে উৎপাদনকারী দেশী-বিদেশী ব্র্যান্ডের দখলে মোটরসাইকেল বাজারের ৯৫ শতাংশ। ফ্রিজের বাজারে এ হার ৯০ শতাংশ। এছাড়া এসি ও মোবাইল ফোনের বাজারের যথাক্রমে ৮৫ ও ৬৫ শতাংশ স্থানীয়ভাবে উৎপাদনকারীদের দখলে। 


এসব পণ্য উৎপাদনকারী কোম্পানির শীর্ষ কর্মকর্তারা বলছেন, বর্তমানে মান বিবেচনায় দেশে তৈরি ইলেকট্রনিক পণ্য ও বিদেশে তৈরি পণ্যের মধ্যে কোনো ফারাক নেই। কোনো কোনো ক্ষেত্রে মানের দিক থেকে দেশে উৎপাদিত পণ্য বিদেশী পণ্যের চেয়ে এগিয়ে। এসব পণ্য উৎপাদনে সরকারের দেয়া নীতিসহায়তাগুলো আরো দীর্ঘমেয়াদি হলে সংশ্লিষ্ট কোম্পানিগুলো উৎপাদন সক্ষমতাকে আরো টেকসই করে স্থানীয় বাজারের চাহিদা মেটানোর পাশাপাশি রফতানি বাজারও সম্প্রসারণ করতে পারবে। 

এই বিভাগের আরও খবর

আরও পড়ুন